তৈলাক্ত ত্বক পরিষ্কার রাখার উপায়

সৈয়দা সুলতানা খান নিপা : ত্বক কারও শুষ্ক, কারও তৈলাক্ত, কারও আবার মিশ্র হয়। সাধারণত এক একজনের ত্বকের ধরন এক একরকম হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। তবে আপনার ত্বকের ধরন যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে সেই অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে নিয়মিত যত্ন। ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার।

আর তার জন্য ব্যবহার করতে হবে সঠিক ফেস ক্লিনজার। তৈলাক্ত ত্বক পরিষ্কারের জন্য বাজার থেকে আনা কেমিক্যালযুক্ত উপাদান ব্যবহার না করে এর বদলে ব্যবহার করতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপাদান। চলুন জেনে নেই ঘরোয়া উপায়ে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে-

আপেল সাইডার ভিনেগারের ব্যবহার: আপেল সাইডার ভিনেগার আমাদের ত্বকের পি এইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে প্রচুর ম্যালিক অ্যাসিড। যা ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে। ত্বক থেকে মৃত কোষ সরিয়ে আরও উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করতে পারেন উপকারি এই উপাদানটি। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনোই আপেল সাইডার ভিনেগার মুখে সরাসরি ব্যবহার করবেন না। তিন টেবিল চামচ পানিতে এক টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর পরিষ্কার তুলোর সাহায্যে এটি পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিন তিন মিনিট পর।

গোলাপ জলের ব্যবহার: তৈলাক্ত ত্বকের যত্নের জন্য উপযোগী একটি উপাদান হলো গোলাপজল। অনেকের ত্বকে অতিরিক্ত তেলের কারণে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। গোলাপজল ব্যবহার করলে ত্বকে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। এটি ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। গোলাপজলে পরিষ্কার তুলো ভিজিয়ে পুরো মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ইচ্ছে হলে গোলাপজল মুখে এভাবে রেখে দিতে পারেন বা ধুয়ে ফেলতে পারেন। বেশি উপকার পাবেন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করলে।

লেবু ও মধুর ব্যবহার: ত্বকের যত্নে লেবু ও মধুর কার্যকারীতা অনেক। এই দুই উপাদান মিশিয়ে বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ক্লিনজার। এটি ত্বকের তৈলাক্ততার কারণে সৃষ্ট ব্রণের সমস্যা দূর করে থাকে। ক্লিনজারটি তৈরির জন্য দুই টেবিল চামচ লেবুর রস ও দুই টেবিল চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি ত্বকে ভালোভাবে ব্যবহার করুন। দশ মিনিটের মতো এভাবে রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন পরিষ্কার পানি দিয়ে।